ইরানের পর এবার কিউবায় হামলার পরিকল্পনা করছে আমেরিকা। এরই মধ্যে প্রস্তুতিও নেওয়া শুরু করেছে দেশটি। সূত্রের বরাতে বুধবার এ তথ্য দিয়েছে ইউএসএ টুডে।
ইনডিপেনডেন্ট বলছে, ইরান যুদ্ধ চলতে থাকলেও পেন্টাগন নীরবে কিউবায় একটি সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের জন্য পরিকল্পনার ভিত্তি স্থাপন করছে।
বিষয়টির সাথে পরিচিত দুটি সূত্র জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বীপরাষ্ট্রটিতে হস্তক্ষেপের নির্দেশ দিলে তার জন্য আপৎকালীন পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। ট্রাম্প কিউবা আক্রমণের কোনো পরিকল্পনা ঘোষণা করেননি এখনও।
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, ক্যারিবিয়ানে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত হতে পেন্টাগনকে সরাসরি হোয়াইট হাউস থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পেন্টাগনের একজন মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। দি ইন্ডিপেন্ডেন্টকে লাতিন আমেরিকায় সামরিক অভিযানের দায়িত্বে থাকা সংস্থা ইউএস সাউদার্ন কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
সাউদার্ন কমান্ডের একজন মুখপাত্র দি ইন্ডিপেন্ডেন্টকে বলেন, কিউবা সম্পর্কিত পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি ‘কিছুই জানেন না’।
মুখপাত্র সাউদার্ন কমান্ডের প্রধান জেনারেল ফ্রান্সিস ডোনোভানের মার্চ মাসে কংগ্রেসে দেওয়া একটি বক্তব্যের কথা তুলে ধরেন। সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়ভাবে কিউবা দখলের মহড়া বা পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করেছিলেন।
প্রতিবেদন বলছে, ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদে ইরান, ভেনিজুয়েলা, ইকুয়েডর, নাইজেরিয়া এবং সোমালিয়াসহ একাধিক দেশে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন। এ অবস্থায় তিনি প্রায়ই এবং প্রকাশ্যে কমিউনিস্ট-শাসিত দ্বীপরাষ্ট্রটি দখলের কথা ভেবেছেন।
গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন তিনি ‘কিউবা দখলের সম্মান পাবেন’। তিনি এর সাথে যা খুশি তাই করতে পারেন। সবশেষ সোমবার ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, এটা শেষ করার পর আমরা হয়তো কিউবায় একবার ঢুঁ মারতে পারি।
ইনডিপেনডেন্ট বলছে, ইরান যুদ্ধ চলতে থাকলেও পেন্টাগন নীরবে কিউবায় একটি সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের জন্য পরিকল্পনার ভিত্তি স্থাপন করছে।
বিষয়টির সাথে পরিচিত দুটি সূত্র জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বীপরাষ্ট্রটিতে হস্তক্ষেপের নির্দেশ দিলে তার জন্য আপৎকালীন পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। ট্রাম্প কিউবা আক্রমণের কোনো পরিকল্পনা ঘোষণা করেননি এখনও।
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, ক্যারিবিয়ানে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত হতে পেন্টাগনকে সরাসরি হোয়াইট হাউস থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পেন্টাগনের একজন মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। দি ইন্ডিপেন্ডেন্টকে লাতিন আমেরিকায় সামরিক অভিযানের দায়িত্বে থাকা সংস্থা ইউএস সাউদার্ন কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
সাউদার্ন কমান্ডের একজন মুখপাত্র দি ইন্ডিপেন্ডেন্টকে বলেন, কিউবা সম্পর্কিত পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি ‘কিছুই জানেন না’।
মুখপাত্র সাউদার্ন কমান্ডের প্রধান জেনারেল ফ্রান্সিস ডোনোভানের মার্চ মাসে কংগ্রেসে দেওয়া একটি বক্তব্যের কথা তুলে ধরেন। সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়ভাবে কিউবা দখলের মহড়া বা পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করেছিলেন।
প্রতিবেদন বলছে, ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদে ইরান, ভেনিজুয়েলা, ইকুয়েডর, নাইজেরিয়া এবং সোমালিয়াসহ একাধিক দেশে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন। এ অবস্থায় তিনি প্রায়ই এবং প্রকাশ্যে কমিউনিস্ট-শাসিত দ্বীপরাষ্ট্রটি দখলের কথা ভেবেছেন।
গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন তিনি ‘কিউবা দখলের সম্মান পাবেন’। তিনি এর সাথে যা খুশি তাই করতে পারেন। সবশেষ সোমবার ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, এটা শেষ করার পর আমরা হয়তো কিউবায় একবার ঢুঁ মারতে পারি।
আন্তজার্তিক ডেস্ক